ঢাকাবুধবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, সন্ধ্যা ৭:৫২
আজকের সর্বশেষ সবখবর

চট্টগ্ৰামে শিক্ষা উপমন্ত্রির ছোট ভাই ও সাবেক মেয়র পুত্র করোনা আক্রান্ত!

মাহমুদুল হাসান, সাব-এডিটর
মে ১১, ২০২০ ৬:২৫ অপরাহ্ণ
পঠিত: 20 বার
Link Copied!

প্রকাশ দেব,চট্টগ্ৰাম।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলেন চট্টগ্রামে সাবেক মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর ছোট ছেলে বোরহানুল হাসান চৌধুরী সালেহীন। রোববার (১০ মে) চট্টগ্রামে করোনাভাইরাসের প্রধান পরীক্ষাগারে নমুনা পরীক্ষায় তার শরীরে করোনাভাইরাসের জীবাণু শনাক্ত হয়েছে। তিনি শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের ছোট ভাই।সালেহীনের পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার (৭ মে) বোরহানুল হাসান চৌধুরী সালেহীনের জ্বর হয়। এছাড়া করোনাভাইরাসের আরও কিছু উপসর্গ দেখা গেলে তার কাছ থেকে নমুনা নিয়ে ফৌজদারহাটের বিআইটিআইডিতে পাঠানো হয়। রোববার সেই নমুনায় করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।সালেহীনের ভগ্নিপতি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আক্তার চৌধুরী বলেন, ‘সালেহীন কিছুদিন ঢাকায় ছিল। ফেরার পর গত বৃহস্পতিবার তার জ্বর আসে। নমুনা পরীক্ষার জন্য বিআইটিআইডিতে পাঠালে সেখান থেকে পজিটিভ রেজাল্ট এসেছে। তাকে আপাতত বাসায় আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। এখন জ্বর নেই। উপসর্গ বেশি দেখা না গেলে বাসায় রেখে চিকিৎসা দেওয়া হবে।’তবে বর্তমানে তার জ্বর নেই। ৩২ বছর বয়সী সালেহীন নগরীর নাসিরাবাদের মেয়র গলির নিজ বাসাতেই আইসোলেশনে আছেন এখন। বাসাতে তিনি একাই আছেন। তার স্ত্রী ও পুত্র বর্তমানে ঢাকায় রয়েছেন বলে পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে।চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. হাসান শাহরিয়ার কবির জানান,রোববার (১০ মে) ফৌজদারহাটের বিশেষায়িত হাসপাতাল ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেসে (বিআইটিআইডি) করোনার ২১৭টি নমুনা পরীক্ষায় মোট ২২ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়। আক্রান্তের মধ্যে ১১ জন পুরুষ রোগী, দুইজন নারী এবং একজন কিশোরী রয়েছে।জেলা সিভিল সার্জন সেখ ফজলে রাব্বী জানান, সিভাসুর ল্যাবে শনাক্ত ব্যক্তির মধ্যে চট্টগ্রাম জেলার মধ্যে মহানগরী এলাকার দু’জন এবং বাকিরা বিভিন্ন উপজেলার। এছাড়া ফেনী জেলার সাত জন, লক্ষীপুরের তিন এবং নোয়াখালী জেলার আট জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন।সিভাসুর ল্যাবে করা পরীক্ষায় নগরীর মনসুরাবাদ ও মনসুরাবাদ এলাকার দু’জন, চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার ১৪ জন, রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ১০ জন, সন্দ্বীপের সাত জন এবং বাঁশখালী ও রাউজান উপজেলার একজন করে দু’জন আছেন।এ নিয়ে চট্টগ্রামে করোনায় সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৬৮ জনে। এ পর্যন্ত ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন মোট ৬৪ জন।

দৈনিক বাংলাদেশ আলো পত্রিকায় প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না