ঢাকাশনিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১১:৫২
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বাগমারা উপজেলার গোয়ালকান্দি ইউপিতে এ পর্যন্ত ১৮৫৭ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ।

মাহমুদুল হাসান, সাব-এডিটর
মে ১৪, ২০২০ ১০:০৯ পূর্বাহ্ণ
পঠিত: 30 বার
Link Copied!

বাগমারা প্রতিনিধি রবিন,

রাজশাহী জেলার বাগমারা উপজেলার গোয়ালকান্দি ইউনিয়নে করোনা ভাইরাস সংকট কালে সর্বমোট ১৮৫৭জন হতদরিদ্রকে চাল বিতরণ করা হয়।

করোনা ভাইরাসের কারণে দেশ আজ সংকটময় অবস্থায় চলছে।

এর ফলে ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান দিনমমুজুর, শ্রমিক ও উন্নয়নমূলক সকল কার্যক্রম বন্ধ থাকায় খেটে খাওয়া মানুষগুলো হয়ে পড়েছে কর্মহীন। তাদের ঘরে দেখা দিয়েছে খাদ্যের এবং নগদ অর্থের অভাব। এই সকল শ্রমজীবী মানুষের কথা চিন্তা করেন দেশের প্রথানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা দলমত নির্বিশেষে সবাইকে ত্রাণ প্রদানের জন্য স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি ও দলীয় নেতাকর্মীদের দায়িত্ব প্রদান করেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পাঠানো ত্রাণ সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে বন্ঠনের জন্য গোয়ালকান্দি ইউনিয়নের জনগণের মধ্যে বিতরণ করে যাচ্ছেন বলে জানান গোয়ালকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর সরকার। এ পর্যন্ত অত্র ইউনিয়নের ১৮৫৭ পরিবার ত্রাণ পেয়েছেন বলে জানান তিনি।

এ পর্যন্ত ৯ম ধাপে সরকারি বরাদ্ধকৃত ত্রাণ বিতরণ করা হয়।

১ম ধাপে ৩৭২পরিবারের মাঝে ১০কেজী চাল বিতরন হয়।

২য় ধাপে ২০০পরিবারের মাঝে ১০কেজী চাল প্রদান করা হয়।

৩য় ধাপে ৬২৫ হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ১০কেজী চাল বিতরণ করা হয়।

৪র্থ ধাপে ৬৭পরিবারের মাঝে নগদ ৫০০টাকা করে বিতরণ করা হয়।

৫ম ধাপে ২০পরিবারকে শিশু খাদ্য হিসাবে গুড়ো দুধ বিতরণ করা হয়।

৬ষ্ঠ ধাপে হতদরিদ্র ৩ পরিবারের মাঝে প্যাকেটজাত খাদ্য বিতরণ করা হয়।

৭ম ধাপে ২০০পরিবারের মাঝে ১০কেজী চাল বিতরণ করা হয়।

৮ম ধাপে ৩৫০পরিবারের মাঝে ১০কেজী চাল ও ৪০০গ্রাম পেঁয়াজ এবং ১কেজী আলু বিতরণ করা হয়।

৯ম ধাপে ২০পরিবার কে শিশু খাদ্য হিসাবে গুড়ো দুধ বিতরণ করা হয়।

আগামী ১০ম ধাপে ৫৯পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ ও ৭২৫পরিবারের মাঝে ১০কেজী করে চাল বিতরণ করা হবে।

গোয়ালকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর সরকার বলেন , প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষনা দিয়েছেন কোন ব্যক্তি না খেয়ে থাকবে না। নিজ নিজ এলাকার প্রতিটি পরিবারে খোঁজ খবর রাখার জন্য স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর নির্দেশ অনুযায়ী ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত রয়েছে। তার এলাকার একটি পরিবারের লোকও অনাহারে মারা যাবেনা বা না খেয়ে থাকবেনা বলে প্রত্যয়ব্যক্ত করেন চেয়ারম্যান আলমগীর সরকার।

এছাড়াও তাঁর ইউনিয়নের জনগণকে সরাকরী ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়ম ও নির্দেশনা মেনে চলার আহবান জানান। সেইসাথে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে কাজ করার পরামর্শ দেন তিনি।

ত্রাণ বিতরণের সময় সার্বিক দিক তদারকি করেন উপজেলা ট্যাগ অফিসার মুনজুরুল ইসলাম।

দৈনিক বাংলাদেশ আলো পত্রিকায় প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না