জগন্নাথপুরে প্রীতি ফুটবলার মাসুম হত্যার ঘটনায় ফাসিঁর দাবিতে মানববন্ধন


মাহমুদুল হাসান প্রকাশের সময় : এপ্রিল ২৩, ২০২১, ৯:১৭ অপরাহ্ন /
জগন্নাথপুরে প্রীতি ফুটবলার মাসুম হত্যার ঘটনায় ফাসিঁর দাবিতে মানববন্ধন

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি::

সুনামগঞ্জ জগন্নাথপুর পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের তরুন প্রীতি ফুটবলার মাসুম আহমদের বাসার সামনের রাস্তা জোরপূর্বক দখলের প্রতিবাদ করায় তাকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে পিঠিয়ে হত্যাকান্ডের ঘটনায় দোষীদের গ্রেপ্তার করে ফাসিঁর দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে জগন্নাথপুর পৌরসভার ব্যানাারে পৌর চত্বরের সামনে বিভিন্ন পেশার লোকজনের উপস্থিতিতে মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় বক্তব্য রাখেন জগন্নাথপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সানোয়ার হোসেন সুনু, জগন্নাথপুর পৌরসাভার সাবেক প্যানেল মেয়র আবাব মিয়া, ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলার ও সাবেক প্যানেল মেয়র সুহেল আহমদ, বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাহির উদ্দিন, সমাজ সেবক রেজাউল করিম রাজু, মুফতি মাওলানা গিয়াস উদ্দিন, আব্দুল লতিফ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আব্দুল ফরান, নিহতের মামা আলী আহমদ প্রমূখ।
মানববন্ধনে বক্তারা জগন্নাথপুর পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের ভবাণীপুরের বাসিন্দা ফুটবলার মাসুমের বাসার সামনের রাস্তার জায়গা পাশের বাসার সুরুজ মিয়া,তার ছেলে লিয়ন মিয়া ও রুবেল আহমদগংরা জোরপূর্বক দখলের প্রতিবাদ করায় ফুটবলার মাসুমকে দিনদুপুরে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে তার মা ও বোনের সামনে প্রকাশ্য দিবালোকে পিঠিয়ে হত্যা করে। মাসুম একজন উপজেলার ভালো ফুটবল খেলোয়ার ছিলেন। অবিলম্বে এই হত্যা কান্ডের সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে ফাসিঁর রায় কার্যকরের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নানসহ প্রশাসনের নিকট জোর দাবী জানান।
এ ঘটনায় নিহত ফুটবলারের বোন তমা আক্তার মুন্নী নিজে বাদি হয়ে হত্যাকারী একই এলাকার বাসিন্দা সুরুজ আলীর ছেলে রুবেল মিয়াকে প্রধান আসামী করে মোট ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে গত ১৯ এপ্রিল জগন্নাথপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় পুলিশ এখন পর্যন্ত ৩জন আসামীকে গ্রেপ্তার করলেও বাকি আসামীরা এখনো পলাতক রয়েছে।
উল্লেখ্য যে গত ১৬ই এপ্রিল শুক্রবার বিকেলে পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের ভবানীপুর নিজ বাড়ির সামনে জোর পূর্বক রাস্তা দখলকে কেন্দ্র করে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে পিঠিয়ে গুরুতর আহত করে এবং সাথে সাথে তাকে জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে হাসপাতালের কর্মরত চিকিৎসক তাকে সিলেট রেফার্ড করে। পরে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি রাস্তায় মারা যান।