ফাঙ্গাসের নেপথ্যে অপরিচ্ছন্ন মাস্ক-সিলিন্ডার-ভেন্টিলেটর!


মাহমুদুল হাসান, সাব-এডিটর প্রকাশের সময় : মে ২৫, ২০২১, ১০:২০ পূর্বাহ্ন /
ফাঙ্গাসের নেপথ্যে অপরিচ্ছন্ন মাস্ক-সিলিন্ডার-ভেন্টিলেটর!

ভারত পেরিয়ে এবার বাংলাদেশেও শনাক্ত হয়েছে ‘ব্ল্যাক ফাঙ্গাস’। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এ নিয়ে আগেই সতর্কতা জারি করেছিল।

ব্ল্যাক ফাঙ্গাস বহনকারী ছত্রাক বাতাসে উড়ে বেড়াতে সক্ষম। কোভিড আক্রান্ত বা কোভিড থেকে সুস্থ হওয়া কারো শরীরে কিংবা যাদের ডায়াবেটিস, ক্যান্সার আছে তাদের শরীরে খুব সহজেই এই ছত্রাক আক্রমণ করছে। নাক, কান, গলা ইত্যাদির ভেতর দিয়ে সহজেই দুর্বল মানুষের শরীরে এই সংক্রমণ ঘটছে। কোভিড মোকাবিলায় যেসব রোগীদের অতিরিক্ত স্টেরয়েড দেওয়া হয়েছে তাদের শরীরে সহজেই এই ছত্রাকের সংক্রমণ ঘটছে।

এছাড়া এই ছত্রাকের সংক্রমণের পেছনে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের বড় ভূমিকা থাকতেই পারে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে তা একেবারই নিশ্চিত করা হয়নি। কারণ এর জন্য যথেষ্ট গবেষণা প্রয়োজন।

অপরিচ্ছন্ন মাস্ক, সিলিন্ডার ও ভেন্টিলেটর নিয়ে যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা

অল ইন্ডিয়া মেডিকেল সায়েন্সেস ইনস্টিটিউটসের (এআইএমএস) স্নায়ুবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক পি শরৎ চন্দ্র জানিয়েছেন, অপরিচ্ছন্নতা ছত্রাক জাতীয় সংক্রমণের পেছনে বড় কারণ। তার ভাষায়, ‌অনেকেই দুই থেকে তিন সপ্তাহের বেশি সময় না ধুয়ে একই মাস্ক ব্যবহার করেন। তা থেকেও ছড়াতে পারে এই সংক্রমণ।

সংক্রমণ এড়াতে নিয়মিত মাস্ক পরিবর্তন বা সেটিকে সাবান দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

ভারতের একটি বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক সুরেশ সিংহ নারুকা পিটিআই-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, এক মাস্ক পরা তো বটেই, তার পাশাপাশি হাওয়া চলাচল করে না এমন ঘরে বসবাসও ব্ল্যাক ফাঙ্গাস সংক্রমণের পেছনে বড় কারণ হতে পারে।

মুম্বাইয়ের হিন্দুজা হাসপাতালের চিকিৎসক নিশান্ত কুমার বলেন, অক্সিজেনের জন্য ব্যবহৃত পাইপ, সিলিন্ডার ও হিউমিডিফাইয়ারে অনেক দূষণ থাকে। কারো যদি রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয় এবং দীর্ঘ সময়ের জন্য এসব পাইপ ও অক্সিজেন ব্যবহার করেন তাহলে এই সংক্রমণ ছড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়।